Search

Saved articles

You have not yet added any article to your bookmarks!

Browse articles

ট্রাম্প ও শি'র বৈঠক শেষ, কোনও চুক্তি হয়নি

২০২৫ সালের ৩০শে অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে ছয় বছরের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিংয়ের মধ্যে প্রথম সরাসরি বৈঠকটি কোনও আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছিল। মূল বিষয়গুলির মধ্যে ছিল শুল্ক, বিরল মাটির খনিজ, ফেন্টানাইল পাচার এবং কৃষি বাণিজ্য। ট্রাম্প বিরল মাটির রপ্তানি, সয়াবিন ক্রয় এবং ফেন্টানাইল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে চীনা প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মার্কিন শুল্ক হ্রাসের ঘোষণা করেছিলেন, যা মার্কিন-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্কের সম্ভাব্য আংশিক পুনর্নির্মাণের ইঙ্গিত দেয়।

দুই পরাশক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিংয়ের বৈঠক কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়া শেষ হয়েছে। এক ঘণ্টা চলা ৪০ মিনিটের আলোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের রাষ্ট্রপ্রধানরা তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান।

এটি দুই নেতার মধ্যে দীর্ঘ ছয় বছর পর প্রথম ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ। বৈঠকটি বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫, স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা মূলত শুল্ক, বিরল খনিজ পদার্থ, মাদক চোরাচালান এবং কৃষি খাতের মতো বিষয়ে কেন্দ্রীভূত ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈঠকের মাধ্যমে বিশ্বের দুটি বৃহত্তম অর্থনীতির মধ্যে চলমান শুল্ক যুদ্ধে কোনো না কোনো সমঝোতা হতে পারে। এছাড়াও, ওয়াশিংটন আশা করছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাধানে বেইজিংয়ের সহায়তা পাওয়া যাবে। এর আগে এই দুই নেতা সর্বশেষ ২০১৯ সালে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

বৈঠকটি বুসান, দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি ২০১৯ সালের পর প্রথম ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ হিসেবে রেকর্ড করা হলো। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই আলোচনায় চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের “কৌশলগত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিষয়” নিয়ে গভীর সংলাপ হবে।

মূল আলোচ্যসূচিতে ছিল শুল্ক এবং বিরল খনিজ রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, বেআইনি ফেন্টানাইল চোরাচালান এবং চীনা কৃষি পণ্যের কেনাকাটা সংক্রান্ত মার্কিন চাহিদা। বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্র চীনা পণ্যের ওপর অত্যন্ত উচ্চ শুল্ক (প্রায় ১৫৭%) আরোপের হুমকি দিয়েছিল এবং ফেন্টানাইল সমস্যাটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিল।

বৈঠকের পর ট্রাম্প এটি “অসাধারণ” হিসেবে বর্ণনা করেন এবং ঘোষণা করেন, চীনের বিরল খনিজ রপ্তানি, সয়াবিন কেনাকাটা এবং ফেন্টানাইল নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে মার্কিন শুল্ক ৫৭% থেকে ৪৭% পর্যন্ত কমানো হবে।

যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক যৌথ কমিউনিক নেই, তবে বৈঠকের ফলাফল সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন সূচনা বা আংশিক পুনঃসেটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।