Search

Saved articles

You have not yet added any article to your bookmarks!

Browse articles

দেশব্যাপী প্রতিবাদ: সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকরা আগামীকাল থেকে ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন

দশম শ্রেণীর বেতন স্কেল, পেশাগত স্বীকৃতি এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধা সহ তাদের তিন দফা দাবি আদায়ের জন্য রবিবার (৯ নভেম্বর) থেকে দেশব্যাপী ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শাহবাগে সংঘর্ষের পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়, যেখানে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে, এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিক আহত হন। শিক্ষকরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন এবং বল প্রয়োগের পরিবর্তে সংলাপের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

রোববার থেকে তিন দফা দাবি আদায়ে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের সারাদেশে ধর্মঘটের ঘোষণা

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের তিন দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রোববার (৯ নভেম্বর) থেকে সারাদেশব্যাপী কর্মবিরতি বা ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে — বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ, পেশাগত মর্যাদা প্রদান, এবং উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করা।

এই ঘোষণা দেওয়া হয় শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক বড় সমাবেশে, যেখানে হাজারো শিক্ষক সরকারের দীর্ঘদিনের উদাসীনতার প্রতিবাদে একত্রিত হন। শিক্ষক নেতারা জানান, তারা বহুবার সরকারের সঙ্গে আলোচনা চেয়েছেন, কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ধর্মঘটে যাওয়া ছাড়া তাদের আর কোনো বিকল্প ছিল না।

এর আগে বিকেলে শাহবাগে উত্তেজনা দেখা দেয়, যখন শিক্ষকরা সচিবালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিক আহত হন, যা শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

সংঘর্ষের পর শিক্ষকরা আবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে তাৎক্ষণিক এক সমাবেশ করেন এবং সেখান থেকেই সারাদেশে কর্মবিরতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। শিক্ষক নেতারা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে।

প্রতিবাদরত শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের ওপর বিনা উস্কানিতে হামলা চালিয়েছে, যা তারা “শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের ওপর আঘাত” হিসেবে অভিহিত করেন। তারা দোষীদের চিহ্নিত করে বিচার দাবি করেন এবং সরকারের প্রতি আহ্বান জানান শক্তি প্রয়োগের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক সংগঠনগুলোও আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, যদি দাবি পূরণ না হয়, তাহলে তারা সরকারি অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিসহ আন্দোলন আরও তীব্র করবে।