সোমবার ভোরে আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলে সাতজন নিহত এবং ১৫০ জন আহত হয়। মাজার-ই-শরীফের কাছে রেকর্ড করা এই ভূমিকম্প কাবুলেও অনুভূত হয়েছিল। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ভূমিকম্পের পর এটি ঘটেছে, যার মধ্যে আগস্টে ৬.০ মাত্রার একটি মারাত্মক ভূমিকম্পও রয়েছে যাতে ২০০০ জনেরও বেশি লোক মারা গিয়েছিল।
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের হিন্দুকুশ অঞ্চলে আঘাত হানা এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, আর দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে আরও ১৫০ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান চলছে, এবং কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে ৬.৩ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়। এটি আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলের মাজার-ই-শরিফ শহরের কাছাকাছি খোলম এলাকায় ভূ-পৃষ্ঠের ২৮ কিলোমিটার (১৭ মাইল) গভীরে আঘাত হানে।
তবে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস ভূমিকম্পটির মাত্রা ৬.৪ বলে উল্লেখ করেছে। রাজধানী কাবুলে ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি’র সংবাদদাতারাও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন বলে জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আফগানিস্তান একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। গত ২৪ অক্টোবর ভোরে ৩.৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, তবে এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে, ১৭ অক্টোবর আফগানিস্তানে ৫.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার কম্পন জম্মু ও কাশ্মীরেও পৌঁছায়, তবে সেটিতেও কোনো প্রাণহানি বা ক্ষতি হয়নি।
এরও আগে, ৩১ আগস্ট আফগানিস্তান তার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পের মুখোমুখি হয়েছিল — রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৬.০। সেই ভূমিকম্পে দুই হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং প্রায় তিন হাজার মানুষ আহত হয়েছিলেন।